wbssc court case-পশ্চিমবঙ্গ শিক্ষক নিয়োগে যুগান্তকারী রায়! লিখিত পরীক্ষার!শিক্ষাগত যোগ্যতা!আবেদনের বয়সসীমা!

Upper_Primary_New_Interview
Upper_Primary_New_Interview


wbssc court case-দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, বয়স ছাড় বাড়লো প্রতিযোগিতার চাপ!প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ২৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগ বাতিলের পর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি) নতুন নিয়োগ বিধি প্রকাশ করেছিল। এই বিধিতে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়, যা নিয়ে হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়। মামলাকারীদের দাবি ছিল, ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিধি অপরিবর্তিত রাখা উচিত। তবে বুধবার হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ এসএসসির নতুন বিধিকে মান্যতা দিয়ে রায় ঘোষণা করেছে।

📌 আরও পড়ুন: পশ্চিমবঙ্গ শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিশেষ রিপোর্টস

📊 WB SSC মক টেস্ট সেন্টার ২০২৫[এখানে ক্লিক করুন ▶️]

নতুন বিধি অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষার নম্বর ৫৫ থেকে বাড়িয়ে ৬০ করা হয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতার জন্য নম্বর ৩৫ থেকে কমিয়ে সর্বোচ্চ ১০ করা হয়েছে। এ ছাড়া, ইন্টারভিউ এবং ‘লেকচার ডেমনস্ট্রেশন’-এর জন্য যথাক্রমে ১০ নম্বর করে বরাদ্দ করা হয়েছে। নিয়োগের জন্য আবেদনের বয়সসীমা ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৪০ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।

শিক্ষক নিয়োগের জটিল অধ্যায়ে স্পষ্টতা এনেছে কলকাতা হাইকোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি) প্রণীত বিতর্কিত নতুন নিয়োগ বিধিকে সম্পূর্ণ বৈধতা দিলেন ডিভিশন বেঞ্চ। ২০১৬ সালের বাতিল হওয়া ২৬ হাজার পদের ধাক্কা কাটিয়ে, এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন নীতিতে এগোবে নিয়োগ প্রক্রিয়া—যা বহু প্রার্থীর জন্য তৈরি করছে কঠিন চ্যালেঞ্জ!

নতুন নিয়মে চমক:wbssc court case

⚖️ লিখিত পরীক্ষাই এখন মূল হাতিয়ার! নম্বর বেড়ে ৬০ (পূর্বে ৫৫)।

🎓 শিক্ষাগত যোগ্যতায় চরম কাটছাঁট: সর্বোচ্চ নম্বর কমে মাত্র ১০ (পূর্বে ৩৫)।

🗣️ সাক্ষাৎকার + ডেমো ক্লাস: উভয় ক্ষেত্রে ১০ করে নম্বর।

⏳ বয়সসীমায় আপোষহীনতা: ১ জানুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৪০ বছর।

দাগী প্রার্থীদের জন্য রেড কার্ড!
“যাদের ইতিহাসে কলঙ্ক, তাদের নতুন সুযোগ নেই”—একক বেঞ্চের এই কঠোর নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে মেনে নিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। দুর্নীতির অভিযোগে জড়িত কোনো প্রার্থীকে ছাড় দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না বলে স্পষ্ট জানানো হয়েছে রায়ে।

বয়স ছাড়ের দাবি খারিজ!

wbssc court case
wbssc court case


২০১৬ সালের বাতিল পরীক্ষার প্রার্থীদের বড় অংশ বয়সসীমা পেরিয়ে গেছেন। তাদের ছাড় চাওয়াকে কঠোর ভাষায় নাকচ করে আদালত বলেছে: “সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে পুরোনো নিয়ম বাতিল—সুতরাং নতুন বিধিই এখন সোনার আইন।”

স্নাতকে মিনিমাম মার্কস বাড়লো:
🎯 স্নাতকে ন্যূনতম ৫০% নম্বর বাধ্যতামূলক (পূর্বে ৪৫%)। এই কঠোর শর্তকেও সমর্থন করল হাইকোর্ট।

অভিজ্ঞতাই অতিরিক্ত সুবিধা:
📚 শিক্ষকতা অভিজ্ঞতায় ১০% ওয়েটেজ রাখার সিদ্ধান্ত বহাল। কিছু প্রার্থীর “এটি ২০১৬-র ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি অবিচার” দাবি উপেক্ষা করে আদালত জানাল—অভিজ্ঞতাকে মূল্য দেওয়ায় কোনো ভুল নেই!

শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার ওপর জোর!

নতুন বিধিতে শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার জন্য ১০% ওয়েটেজ দেওয়ার সিদ্ধান্তও বহাল রাখা হয়েছে। কিছু প্রার্থী এই নিয়মের বিরোধিতা করে দাবি করেছিলেন, এটি ২০১৬ সালের চাকরিহারা প্রার্থীদের জন্য অন্যায্য হতে পারে। তবে আদালত এই নিয়মে কোনও পরিবর্তনের প্রয়োজন মনে করেনি।এই রায়ের (wbssc court case) ফলে এসএসসির নতুন বিধি অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে, যা ২০১৬ সালের প্রার্থীদের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

রায়ের প্রভাব:
এই ঐতিহাসিক রায়ের (wbssc court case) পর এসএসসির নতুন নীতিমালাতেই এগোবে শিক্ষক নিয়োগ। তবে ২০১৬ সালের প্রত্যাশিত প্রার্থীদের জন্য এ যেন নতুন লড়াইয়ের সূচনা—লিখিত পরীক্ষায় বেশি জোর, শিক্ষাগত যোগ্যতায় কম নম্বর, আর বয়সের কঠোর বেড়াজালে চ্যালেঞ্জ কয়েক গুণ বেড়েছে!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here