[sms send to candidate] 2019 Primary teachers recruitment news and update in westbengal

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে রয়েছে মামলার কারনে। আবার অনেক সময় শিক্ষামন্ত্রী পরিস্কার ভাবে জানিয়েছেন ঐ সমস্ত মামলার জন্য নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা যাচ্ছে না।কিন্তু বিভিন্ন খবরে বার বার পূজোর পরে সমস্ত রকম শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা নিয়ে আপডেট বেরিয়ে এসেছে।

This Post Contents

যদিও মামলা কে প্ৰধান দায়ি করা হলেও নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে রাখার জন্য কিন্তু দেখা যাচ্ছে সেই মামলার কারনে কয়েক হাজার চাকরিপ্রার্থীর ভাগ্য খুলতে চলেছে। সুপ্রিম কোর্টের আগেই নির্দেশ দিয়েছেন যে , 30 শে সেপ্টেম্বরের এর মধ্যে ptti ক্যান্ডিডেট যারা 2010 সালে 31 শে ডিসেম্বর বা তার আগে মামলা করেছেন তাঁদের কে নিয়োগ করতে হবে।

এই নিয়ে যুদ্ধ কালীন তৎপরতায় ঐ সমস্ত যোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন এর কাজ চলছিল রাজ্যের বিভিন্ন DPSC তে এবার জানা গিয়েছে তাঁদের মধ্যে যাঁরা যোগ্য তাঁদের কাছে sms ও আসতে শুরু করে দিয়েছে।ফলে তাঁদের নিয়োগ 30 শে সেপ্টেম্বরের  আগে আগে হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে !

20190909 065520কিছু দিন আগেই মানিক ভট্টাচার্য, সভাপতি প্ৰাথমিক পর্ষদের, তিনি একটি ফ্রন্টলাইন পত্রিকা কে জানিয়ে ছিলেন যে কোর্টের নির্দেশ মত খুব দ্রুত যোগ্য দের কে নিযুক্ত করা হবে।

Primary teachers recruitment will complete soon in west Bengal said chairman !(TO READ THIS IMPORTANT NEWS CLICK HERE )

 

ফলে প্রায় 1200 ptti ট্রেনিং প্রাপ্তদের ভাগ্য খুলল বলা বাহুল্য। কিন্তু এখনও কয়েক হাজার চাকরিপ্রার্থী যারা প্রশ্ন ভুল মামলা দায়ের করে ছিলেন এবং কোর্ট 3 অক্টোবর 2018 সালে প্রাথমিক পর্ষদ কে নির্দেশ দিয়েছিল,মামলা কারীদের খাতা 6 নাম্বার দিয়ে সেক্ষেত্রে যদি তাঁরা পাস মার্কস পায়, তাঁদের চাকরির ব্যবস্থা করতে ,তাঁদের কি হবে বা তাঁদের নিয়োগ নিয়ে পর্ষদ কি ভাবছে তা নিয়ে প্রাথমিক পর্ষদ থেকে কোনও আপডেট বেরিয়ে আসছে না ।

আবার কোর্ট 19 সেপ্টেম্বরে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সচিব কে শশরীরে হাজিরার নির্দেশ আগেই দিয়েছে, তাই তার আগে কিছু কি হবে? সেই রকম কোনও আপডেট লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।

আরও পড়ুন : বসির  আহামেড প্রাথমিকে ভুল প্রশ্নও মামলার খবর

আরও পড়ুন : প্রতিভা মণ্ডলের  প্রাথমিকে ভুল প্রশ্নও মামলার খবর

ফলে ঐ সমস্ত ভুল প্রশ্ন মামলাকারী দের এখন 19 শে সেপ্টেম্বরের কোর্টের দিকে তাকিয়ে থাকা ছাড়া আর কোনও উপায় নেয়। কারন সেই দিন যদি কোর্ট কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ না গ্রহণ করে তাহলে এই মামলা আবার অনেক পিছিয়ে পড়বে এবং নিয়োগ নিয়ে একটা বিরাট প্রশ্ন চিহ্ন তৈরী হবে।